পল্লিবিদ্যুতের সীমাহীন দুর্দশা-সমস্যা আছে কিন্তু সমাধানের পথ কোথায়!গাজীপুর পল্লিবিদ্যুৎ সমিতি ১,কালীগঞ্জ জোনাল অফিস,কালীগঞ্জ, গাজীপুর।একদিকে সারাদেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারণে সমস্ত বাংলাদেশের মানুষ গরমে অতিষ্ঠ। নগর জীবন বিপন্ন। সারাদিনে ২৪ঘন্টার মাঝে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪-৫ ঘন্টা।কিন্তু অতি দুঃখের বিষয় বিদ্যুৎ না থাকলেও বিদ্যুৎ বিল করা হচ্ছে দ্বিগুণ। এর প্রধান কারণ হচ্ছে মিটার রিডার মাঠ পর্যায়ে না গিয়ে নিজের ইচ্ছামতো বিল তৈরি করে বিল সেকশনে জমা দিচ্ছেন।এতে করে গ্রাহক যেমন হয়রানী হচ্ছেন তেমনি না বুঝে দ্বিগুণ বিল পরিশোধ করছেন।উল্লেখ থাকে যে যারা সচেতন ব্যক্তি শুধুমাত্র তারাই বিদ্যুৎ বিল বেশি দেখিলে বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করছেন।আর যারা বিদ্যুৎ বিল সম্বন্ধে অজ্ঞ তারা কিন্তু ঠিকই বেশতি বিল পরিশোধ করছেন।আজকে দুপুরে কালীগঞ্জ জোনাল অফিসে যোগাযোগ করলে (ডিজিএম)আক্তার হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন ভুলত্রুটি মানুষের মধ্যেই হয়।আর যেন ভুল না হয় আমি সেইদিকে পল্লিবিদ্যুৎ এর সকল স্টাফদের প্রতি সচেতন থাকিব।বিদ্যুতের লোডশেডিং ব্যাপারে জিজ্ঞেসাবাদ করলে তিনি উত্তর দেন আমাদের কালীগঞ্জে ৮৪হাজার মিটার গ্রাহক রয়েছে।এই লোডশেডিং দূর করতে হলে ২৪মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন।কালীগঞ্জ জোনাল অফিসে বিদ্যুতের পরিমান ১৪মেগাওয়াট। বাকি ১০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ অতি শ্রীঘ্রই যোগ করা হবে।তারপর আস্তে আস্তে আমরা লোডশেডিং কমিয়ে আনতে পারবো।তিনি আরো বলেন সাময়িক দেশ ব্যাপী এই লোডশেডিং এর জন্য জনগনের কষ্টের জন্য তিনি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।তিনি আরো বলেন বিদ্যুৎ বিলের কোনো সমস্যা হলে যেন কালীগঞ্জ জোনাল অফিসে যোগাযোগ করে।তাই সকলের প্রতি আমি ব্যক্তিগত ভাবে বলতে চাই একটু ধৈর্য ধরুন, আল্লাহ চাইলে এই বিদ্যুতের লোডশেডিং ও একদিন সমাধান হয়ে যাবে।

(স্টাফ রিপোর্টার শাকিল মোল্লা)

About Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!